9newstv
সত্য প্রকাশে জাগ্রত আমরা

রআশুলিয়ায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তা

0 ১৭৪

 

মোঃমনির মন্ডল,সাভারঃ

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দুই দিন পর খুনি ফারুক হোসেন (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। র্যাব-৪ এর অভিযানে তাকে রংপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা চার বছরের শিশু সিয়ামকে নিহত শিমুর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

শুক্রবার (২৩ জুন) দুপুরে নবীনগরে র্যাব ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি তুলে ধরেন র্যাব-৪ সিপিসি-২-এর কম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। এর আগে শুক্রবার ভোররাতে রংপুরের পীরগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার তৈয়বর মিয়ার ছেলে। নিতহ শিমু আক্তার একই এলাকার নয়া মিয়া ব্যাপারীর মেয়ে। র্যাব-৪ সুত্রে জানা গেছে, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ফারুক ও শিমুর।

তাদের চার বছরের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। স্ত্রীর পরকীয়ার সম্পর্কের সন্দেহ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহ চলছিল।

এর আগে গাইবান্ধা থেকে ঢাকার আশুলিয়ায় এসে চাকরি নেন শিমু আক্তার। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে ফারুক হোসেন গ্রাম থেকে আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় চাকরি নেন ও একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন।

কিন্তু পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার সন্দেহের জের ধরে রাতে সবজি কাটার ছুরি দিয়ে শিমুকে হত্যা করে সন্তান সিয়ামকে নিয়ে পালিয়ে যান ফারুক হোসেন। র্যাব-৪ সিপিসি-২-এর কম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট রাকিব মাহমুদ খান বলেন, হত্যাকাণ্ডের কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে আসামি।

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় রাগের বশে হাতের কাছে থাকা সবজি কাটার ছুরি দিয়ে পেছন দিক থেকে স্ত্রীর গলা কেটে দেন।পরে লাশ বাথরুমে নিয়ে ওড়না দিয়ে ঢেকে ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যান।

আসামিকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ২০ জুন সকালে আশুলিয়ার কাঠগড়ার পশ্চিমপাড়ার এলাকার ইঞ্জিনিয়ার মামুনের পাঁচতলা বাড়ির একটি ফ্ল্যাট থেকে শিমুর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ফারুককে আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বড় বোন লাবনী।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.