9newstv
সত্য প্রকাশে জাগ্রত আমরা

নোয়াখালীর সেই বিতর্কিত শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ আলাউদ্দিন একাধিক পরকীয়া ও অপকর্মেলিপ্ত।

0 ৪০

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কে এ-ই ডাঃ আলাউদ্দিন?
নোয়াখালী উকিল আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আলাউদ্দিন। একাধিক অবৈধ নারীর সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। নোয়াখালীর চৌমুহনী প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত চেম্বার করেন তিনি। প্রতিদিন প্রচুর রোগী,ল্যাবের কমিশন ও বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ লেখার উতকোচ নিয়ে ডাঃ আলাউদ্দিন অগাধ টাকার মালিক বনে গেছে অল্প সময়ে। অতি অর্থের আতিসহ্যে ডাঃ আলাউদ্দিন পা বাড়ান অপরাধ জগতের অন্ধকারে।তিনি নোয়াখালীর চৌমোহনী সহ বিভিন্ন জায়গায় একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাটের মালিক। এসকল কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের নেই বৈধ কোন হিসাব। আয়কর বিবরণীতে আছে শুভংকরের ফাঁকি। নামে মাত্র আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন তিনি। ডাঃ আলাউদ্দিন সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি দূধর্ষ শিবির ক্যাডার হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি স্থানীয় জামায়াত শিবিরের অর্থনৈতিক প্রধান পৃষ্টপোষক। নোয়াখালীতে রাষ্ট্রবিরোধী অপশক্তির মুল অন্যতম অর্থ যোগানদাতা ডাঃ আলাউদ্দিন মর্মে জনশ্রুতি আছে।শুধু তাইনা ডাঃ আলাউদ্দিন এর আছে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে চায়না তার বিরুদ্ধে। ডাঃ আলাউদ্দিন একাধিক বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী ডাঃ আসমাতুন্নেসা যাকে ২০০৩ সালে মাত্র তিন লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন এবং ১৮ বছর পরে ২সন্তান সহ তালাক প্রদান করেন। ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখে আলাউদ্দিনের একাধিক পরকীয়া র প্রতিবাদ করতে গিয়ে ডাঃ আসমা নির্মম নির্যাতনের শিকার হন।ডিভোর্সের পরও তাকে বারবার হত্যা চেষ্টা করা হয়।এমনকি তার ছেলে তৌফিক কেও ডাঃ আলাউদ্দিন গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করেন। এসম্পর্কে বহু জিডি, হত্যা প্রচেষ্টা মামলা চলমান। প্রথম স্ত্রীর অজ্ঞাতসারে ২০১৮ জুনে লুলু মারজান নামক ফিজিওথেরাপিস্ট কে দশলক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। ডাঃ আলাউদ্দিন এর অমানসিক শারীরিক নির্যাতন ও বিকৃত যৌনাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মাত্র ৫ মাসের মাথায় ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। ২য় স্ত্রী ও নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যা প্রচেষ্টা মামলা করেন।ডাঃ আলাউদ্দিন ১ম স্ত্রী ও ২য় স্ত্রী কাউকেই দেনমোহর কিংবা খোরপোষের অর্থ পরিশোধ করেননি।
শুধু তাইনা ডাঃ আলাউদ্দিন তার ১ম স্ত্রী ডাঃ আসমার গর্ভে জন্ম নেওয়া ছেলেমেয়েদের কোন দায়দায়িত্ব বহন করতে না রাজ। তিনি ঢাকার মেয়ে ডাঃ আসমা সহ ২সন্তানকে নোয়াখালী ছেড়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি যেকোনো সময় ডাঃ আলাউদ্দিন এর আক্রোশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে ঝরে যেতে পারে নিরীহ তিন ৩টা জীবন।

ডাঃ আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তার ১ম স্ত্রী ডাঃ আসমা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অপকর্মের তথ্য সহ অভিযোগ উপস্থাপন করেন। পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় ডিসেম্বর ২০২২ এ ডাঃ আলাউদ্দিন কে নোয়াখালী থেকে নীলফামারী মেডিকেল কলেজে শাস্তিমুলক বদলী করেন। কিন্তু ডাঃ আলাউদ্দিন কোন দিন নীলফামারিতে অফিস করেননি। সেখানে যোগদান করে অধ্যক্ষ ও হাসপাতাল পরিচালককে প্রতিমাসে উচ্চ মাসোহারা দিয়ে নোয়াখালী বসে নীলফামারীর অফিস ম্যানেজ করেন বলে জানা যায়।নীলফামারী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের সাথে এ প্রতিনিধি ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দায়সারা উত্তর দেন।ডাঃ আলাউদ্দিন এর বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এতোদিন অনুপস্থিতির কারণে। বিষয়টি অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন। বর্তমানে ডাঃ আলাউদ্দিন এতো অপকর্মের পরও সিনিয়র কনসালটেন্ট শিশু প্রোমোশন পেয়ে নীলফামারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করলেও নিয়মিত চেম্বার করছেন নোয়াখালী চৌমোহানীর প্রাইম হাসপাতালে। কারণ আলাউদ্দিন এর অবৈধ সাম্রাজ্যে সে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তার অপরাধ গুলো টাকার কাছে চাপা পড়ে গেছে।
একজন সরকারি কর্মকর্তা ফৌজদারি মামলায় আসামি হয়ে ও প্রমোশন পাচ্ছেন, কর্মস্থলে মাসের পর মাস অনুপস্থিত থাকছেন, অর্থের বিনিময়ে সকল অভিযোগ থেকে দায় মুক্তি পাচ্ছেন। ফলে আবারও তিনি জড়িয়ে পড়ছেন নতুন অপরাধে।

ডাঃ আলাউদ্দিন এক নারীতে বেশিদিন তৃপ্ত নন। তার বিবাহিত প্রাক্তন ২জন স্ত্রীর সাথে কথা বলে এবিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়। তিনি ফেসবুক, হটসআপ সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ডাঃ পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কম বয়েসী মেয়েদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে অর্থের বিনিময়ে তাদের কে উপভোগ করেন। তিনি নিষিদ্ধ নেশাকর ও যৌনোদ্দীপক বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সেবনে আসক্ত। এর ফলে তিনি নিত্য নতুন নারীর সঙ্গ পেতে সবসময় তৎপর থাকেন।
ডাঃ আলাউদ্দিন এর এসব অপকর্মের বড় প্রমান নোয়াখালী নির্যাতিত নারী সমিতির ব্যানারে পুরো শহর জুড়ে পোস্টারিং। সেখানে ডাঃ আলাউদ্দিন এর লোলুপ দৃষ্টি থেকে অসহায় ও কোমলমতি নারীদের বাঁচানোর আহবান জানানো হয়েছে। এ-ই প্রতিবেদক সরাসরি ডাঃ আলাউদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করলে ডাঃ আলাউদ্দিন কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে উল্টো প্রতিবেদক কে দেখে নেওয়ার হুমকি ধমকি প্রদান করেন। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় ডাঃ আলাউদ্দিন অত্যন্ত নিকৃষ্ট ও বদমেজাজি মানুষ। তবে রাস্ট্রবিরোধী অপশক্তিকে বিপুল অর্থনৈতিক পৃষ্টপোষকতা করার কারণে একটা নির্দিষ্ট কমিউনিটির কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। শুধু তাইনা ডাঃ আলাউদ্দিন এর সাথে আরও বেশকিছু চিকিৎসক যেমন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, শিশুবিশেষ্গ, ডেন্টাল সার্জন,এ্যানেসথেসিস্ট মিলে এসব অপকর্ম পরিচালনা করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। এর বড় প্রমাণ তারা ডাঃ আলাউদ্দিন এর ডিভোর্সি স্ত্রী ডাঃ আসমা সহ ২ সন্তান কে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেন এবং ফ্লাট থেকে বের করে দেন। পরবর্তীতে ডাঃ আসমা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় সেখানে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।স্থানীয় থানায় ডাঃ আলাউদ্দিন এর বিরুদ্ধে একাধিক জিডি ও অভিযোগ জমা আছে।শুধু তাইনা ডাঃ আলাউদ্দিন তার প্রাক্তন স্ত্রী ডাঃ আসমা ও ২সন্তানকে নোয়াখালী ছাড়ার অব্যাহত হুমকি এমনকি প্রাণনাশের পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত মানুষের মুখে মুখে ডাঃ আলাউদ্দিন এর ঘটনা। তারা স

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.