সাভারে মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় প্রেমিকাকে খুন,প্রেমিক গ্রেপ্তার

মোঃমনির মন্ডল,সাভারঃ
সাভারের হেমায়েতপুরে এলাকায় রিপন হোসেন (২৮) নামের এক প্রেমিকে মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় শ্বাসরোধ করে লাকী খাতুন নামে এক তরুণীকে হত্যা করেছে। ঘটনার ১৪ দিন পর ঘাতক প্রেমিক রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ৪-এর একটি দল।
শুক্রবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব ৪ সিপিসি ২ এর কম্পানি কমান্ডার লে.
কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান। এর আগে ২ জুন সকালে সাভারের হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকার একটি বহুতল ভবনের পাশে কলাগাছের সাথে লাকী আক্তারের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। মুখ ও হাতের পাতা থেঁতলানো থাকায় তখন তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরে সাভারের ব্যাংক টাউন এলাকার নিখোঁজ এক নারীকে খুঁজতে গিয়ে লাশের পরিচয় বেড়িয়ে আসে।
র্যাব-৪ জানায়, ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের পর ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব জানতে পারে লাকী খাতুনের সাথে রিপন হোসেন নামে এক ট্রাক ড্রাইভারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
পরে রিপনকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের রহস্য। রিপন ও লাকী গত ৩১ মে রাতে রিপনের বন্ধুর ফ্ল্যাটে রাত্রি যাপন করেন। মাদক সেবন করায় লাকীর সাথে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে এর জের ধরে ১ জুন সকালে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে লাকীকে হত্যা করেন প্রেমিক। পরে গুম করার জন্য বন্ধুর ভাড়া বাসার ছাদে লাশ নিয়ে যান তিনি।
এরপর ছাদ থেকে লাকীর লাশ নিচে কলাবাগানে ফেলে দেন তিনি। গ্রেপ্তারকৃত রিপন হোসেনের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় ও সাভারে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করে।
এরমাঝে লাকীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। নিহত লাকী খাতুন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার মো. হোসেনের মেয়ে। সে সাভারের ব্যাংক টাউন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে চাকরি করেন। নবীনগর র্যাব ৪ সিপিসি ২ এর কম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন,
‘ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল রিপন। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানা এলাকায় রিপনের এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’ড়