9newstv
সত্য প্রকাশে জাগ্রত আমরা

থামছে না পদ্মার ভাঙন, জেলা প্রশাসনের নগদ অর্থ ও খাবার বিতর

0 ১৪

পদ্মা সেতু থেকে দুই কিলোমিটার পূর্বে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মাঝিরঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

মতিউর রহমান – সংবাদদাতা শরীয়তপুর

শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত তিন দফা ভাঙনের ফলে পদ্মা সেতুর দুই কিলোমিটার পূর্বে পদ্মার ডান তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় অর্ধ কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ সময় ভাঙনের কবলে পড়ে দোকানপাট ও আশপাশের ঘরবাড়িসহ প্রায় ৩০টি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়। শতাধিক পরিবার ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে তাদের দোকানপাট ও ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। আকস্মিক এই ভাঙনে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে, শরীয়তপুর জেলার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি জাজিরা উপজেলার মাঝিরঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনের স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও দোকান মালিকদের মাঝে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন। জেলা প্রশাসক জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জেলা প্রশাসন সর্বদা আছে এবং থাকবে।

এছাড়া শুক্রবার বিকেলে শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুব আলম তালুকদার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঝিরঘাটের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি অবিলম্বে ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তারেক হাসান জানান, ভাঙন রোধে কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং নদীতে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে জাজিরার পদ্মা সেতু ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকে মাঝিরঘাট হয়ে পূর্ব নাওডোবা, আলমখার কান্দি, জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার ভাটিতে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড বাঁধ নির্মাণ করে সেতু কর্তৃপক্ষ। গত বছরের ৩ নভেম্বর মাঝিরঘাট জিরো পয়েন্ট এলাকায় বাঁধটির প্রায় ১০০ মিটার ধসে পড়ে। এ বছর বাঁধটির সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। ২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই স্থানে বালুভর্তি জিওব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলার কাজ শুরু করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.