
তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বে উজ্জীবিত ঢাকা -৪
নেতা নয় জনগণের সেবক হতে চায়'সাইফুল ইসলাম"
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মনির হোসেন
মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করা একজন রাজনৈতিক নেতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। আর মানুষকে ভালোবাসার ইচ্ছাশক্তি থাকলেই যে কোনো শ্রেণি পেশার মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারেন তিনি। এলাকার মানুষের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়ানো, তাদের সুবিধা অসুবিধার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সাধ্যমতো এলাকার উন্নয়নের জন্য কিছু করার মাধ্যমেই তিনি আস্তে আস্তে মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হন। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে আম জনতার ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করে মানুষের মনের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব সেটা প্রমাণ করেছেন,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শ্যামপুর,কদমতলী থানার প্রধান সমন্বয়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম ।
সাইফুল ইসলামের তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বের ফলে, শ্যামপুর ও কদমতলী থানা তৃর্ণমূল নেতাকর্মীরা নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। তাই তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে শ্যামপুর ও কদমতলী থানা জনগণ এগিয়ে রাখছেন।
বিগত সরকারের সময় দলের চরম দুর্দিনে নেতাকর্মীরা অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েন। ঠিক সেসময় উক্ত এলাকার নেতাকর্মীদের আশার প্রদীপ হয়ে পাশে দাঁড়ান আ ন ম সাইফুল ইসলাম
ঢাকা ৪ আসনের আশা-ভরসা বা আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি ।দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার জনকল্যাণ মূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন এছাড়াও প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সম্প্রসারণে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি।
সমাজসেবক এ জনপ্রিয় নেতা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নানা কর্মসূচি সু-নিপুণভাবে পালনের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে ইতোমধ্যে তিনি তাদের আস্থার ঠিকানা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
ঢাকা-৪ আসনের বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি'র সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা,আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে চায় এলাকাবাসী কাজের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মনে জায়গা করে নিয়ে সে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন।'
আ.ন.ম.সাইফুল ইসলাম বলেন,ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৮বছর চরম নির্যাতন ও জুলুমের স্বীকার হয়েছি আমি,২০১৩-১৪সালে যখন বিএনপি'র সিনিয়র নেতাদের খুজে পাওয়া যায়নি তখন স্থানীয় তরুনদের নিয়ে আন্দোলনের মাঠে থেকেছি,সে কারণেই ফ্যাসিস্ট সরকারের রোশানলে আমাকে পরতে হয়েছে,অসংখ্য মামলার আসামী আমাকে করা হয়েছে, এমনকি আমার বডি ওয়ারেন্ট পর্যন্ত করা হয়,দেখা মাত্র আমাকে গুলি করার আদেশ ছিলো, মহান আল্লাহ আমাকে বাচিয়ে রেখেছেন।
জুলাই আন্দোলনে তার ভূমিকা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন,আমার নেতৃত্বে অনেক আগে থেকেই স্থানীয় অনেক ছাত্রদল,যুবদলের নেতা-কর্মীরা সামাজিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলো এরাই মুলত যাত্রাবাড়ী সহ এ এলাকায় জুলাই গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলো,আমি ২রা আগষ্ট থেকে সরাসরি আন্দোলনে যুক্ত হই,এ সময় তিনি আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন,এলাকার ছাত্র-জনতা আমাকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দান করার জন্য আহবান জানান,এ আন্দোলনে আমার ৩জন সহ কর্মী শহীদ হয়েছেন আর আহত হয়েছেন অনেকেই।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতি করে না,বিএনপি মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঠিক দিক নির্দেশনায় দল এগিয়ে যাচ্ছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে গনতান্ত্রিক চর্চা প্রয়োজন সেক্ষেত্রে যতো বেশি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে ততবেশি গনতন্ত্র সুসংহত হবে।ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে সাধারণ মানুষকে রাজনীতি বিমুখ করে রেখেছিলো,আর বাংলার ভবিষ্যৎ কান্ডারী তারেক রহমান ৩১দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের আপামর জনসাধারণকে রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।