
কুমিল্লা হোমনায় নায়াকান্দি গ্রামে হাত পেতে এক টুকরো মাংস চাইতে হয় না
মোঃহাসান, কুমিল্লা, হোমনা প্রতিনিধি
কুমিল্লার হোমনায় ভাষানিয়া ইউনিয়নের ছোট এক গ্রাম নায়াকান্দি নয়াকান্দি গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে গরিব দুঃখী অসহায় কুরবানী বঞ্চিত মানুষের মাঝে নয়াকান্দি মুন্সিবাড়ি যুবক ছেলেদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিবছর নারকান্দি গ্রামে কুরবানী দিতে পারে না এমন মানুষের ঘরে ঘরে যেয়ে নাম লিস্টি করে সবাইকে তার সামাজিক অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে নায়েকান্দি গ্রামের ভাতৃত্বতা চর্চা দীর্ঘ বহু বছর ধরে চলে আসছে, সামাজিক নীতি হয়ে। এতে করে গরীব দুঃখী অসহায় মানুষ কোরবানির ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন এই ত্যাগের মহিমান্বিত দিনে
যারা ৭ শরিকে আল্লাহর নামে কুরবানী করেন তার এক শরীর বাধ্যতামূলক নয়াকান্দি পঞ্চায়েতকে দিতে হয়।
যারা ৫ শরীকে কুরবানী করেন তার এক শরীক পঞ্চায়েত কে দিতে হয় ।
যারা ৩ শরীরকে কুরবানী করেন তার ১ শরিক পঞ্চায়েত কে দিতে হয়
যারা একা কুরবানী করে তার তিন ভাগের এক ভাগ পঞ্চায়েত কে দিতে হয়
এই মাংসগুলো একত্র করে কুরবানী দিতে অপারগ ব্যক্তিদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া হয়।
সুবিধাভোগীরা জানায় নয়াকান্দি এই সামাজিক রীতি থাকার কারণে আমরা যারা কুরবানী দিতে পারিনা তারা প্রায়ই শরীকে কোরবানী দেয়ার সমান মাংস পেয়ে থাকি এতে করে কুরবানী বঞ্চিত নয়কান্দির গরীব দুঃখী মানুষেরা কারো বাড়ি বাড়ি যেয়ে নিজেকে ছোট করে হীনমন্যতার সাথে ভিখারির মতো হাত পেতে এক টুকরো মাংস চাইতে হয় না
তারা আরো জানায় নয়া কান্দির পূর্বপুরুষ থেকে বহুদিন যাবত এই সামাজিক রীতি প্রচলিত থাকায় সমাজের প্রতিটা মানুষের প্রতি আন্তরিকতা এবং সম্মান বজায় থাকে বলে আমরা দাবি করি।