মোঃ নিজাম। চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
হয়নি,সেই সময়ের কালো অধ্যায়ের দিন গুলো মনে পড়লে এখনো এলাকার জনগণের বুক কেঁপে ওঠে, ১৯৯৮ সালে ছাত্রলীগ কর্মী শহীদ শাহজাহান হত্যাকাণ্ড নিয়ে শুরু হয় চট্টগ্রাম তিন নাম্বার ওয়ার্ডের কাল অধ্যায় .একে একে শুরু হয় হত্যার রাজনীতি তখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার থেকেও শহীদ হন আওয়ামী লীগের দুর্দান্ত নেতা শহীদ লিয়াকত আলী খান এবং ছাত্রলীগ নেতা শহীদ শাহজাহান তাদের যারা হত্যা করে তারা এখন আওয়ামী লীগের নেতা এবং কর্মী বনে গেছে. তাদের মধ্যে একজন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দীনের ভাই মুন্না এবং মুন্নার সংস্পর্শে
থাকা জামাত-বিএনপির বিভিন্ন হত্যাকারী এবং চোর ডাকাত এখন আওয়ামী লীগের কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা পরিণত হয়েছে .যারা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদের কোন মূল্যায়ন হচ্ছে না,মূল্যায়ন হচ্ছে শুধু তাদের যারা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে. এলাকায় ব্যানার পোস্টার হচ্ছে শুধু তাদের ,যারা আওয়ামী লীগের নেতাদের কর্মীদের অত্যাচার করেছে ,তাদের এখন দাম অনেক বেশি. ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দীনের ভাই মুন্না এবং টোকাইয়া আকবর, সরাসরি জামাত-বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত হওয়ার সত্ত্বেও তাদের ব্যানার পোস্টারে এলাকা ছেয়ে গেছে ,তারপরেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চোখে তা পড়ে না. হয়তোবা তাদের লজ্জা শরম নেই তাই, আওয়ামী লীগের নেতাদের যারা হত্যা করেছে তারা এখন তাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মী .এই আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠনের বর্তমান অবস্থা , আর কতদিন চলবে সামনে ইলেকশন তাই বুঝি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা জামাত-বিএনপির আবর্জনা গুলোকে আমাদের দলে এনে নেতা বানিয়ে নির্বাচনের জন্য নিজেদের তৈরি করছে .তারা এখন আওয়ামী লীগের সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রতিটি দোকান নতুন ঘর বাউন্ডারি ওয়াল সব জায়গা থেকে চাঁদা কালেকশন করছে. এবং এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা সহ মারাত্মক নেশা দ্রব্য বিক্রি করছে যা আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে এবং কিশোর গ্যাং তৈরি করে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে. তারা মোবাইল ডাকাতি সহ শুরু করে সিএনজি গাড়ি চড়ে এমন কোন চুরি নেই তারা করছে না. টোকাই আকবর ডাকাতীর এবং নেশাদ্রব্য বিক্রি করে মুনাফার টাকা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলদের হাতে তুলে দিচ্ছে. তাই তারা তাদের সব দোষকর্ম দেখে শুনে নিরবতা পালন করছে. তাই চট্টগ্রামে পুলিশ কমিশনার কে এবং বায়েজিদ থানার পুলিশের প্রধান দায়িত্বশীল কে এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে টোকাই আকবরের অত্যাচার থেকে বাঁচানোর জন্য আকুল আবেদন.পুলিশের নাকের ডগায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছে
পুলিশের নীরবতায় পুষে উঠেছে পাঁচলাইশের জনগণ টোকাই আকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমার পরও পুলিশের নীরবতায় ভাবিয়ে তুলেছে পাঁচলাইশের জনগণ কে এমতাবস্থায় প্রশাসন কে নিয়ে বিরূপ মনতব্য জনগণের।